সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে মাহামুদ হাসানের শুভেচ্ছা

সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে মাহামুদ হাসানের শুভেচ্ছা

আজ ২৭ জুলাই সোমবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ছেলে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মবার্ষিকী। বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য তনয় ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে সংগঠনের আহবায়ক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, স্বাধীন হওয়ার পর বিপর্যস্ত বাংলাকে পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে।পঁচাত্তরের পনেরো আগস্টের পর থেকেই মূলত উল্টোপথে যাত্রা শুরু হয় আজকের বাংলাদেশের।  দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে একের পর এক মিলিটারি ক্যু।
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে অনেক কষ্টে সেই সময়টা পাড়ি দিয়ে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। যোগ্যতার সাথে দেশীয় নেতা থেকে আন্তর্জাতিক নেতায় পরিণত হইয়েছেন, হয়েছেন বিশ্ব মানবতার আইকন, মাদার অব হিউম্যানিটি!
যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার এই বিশ্বনেতা মেধা এবং মননে বিশ্ববাসীর কাছে এক অন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। এর সুবাদে তাকে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২৫০ বিশ্ব ইয়ং নেতার একজন হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার চাইতেও বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তরুণ জনগোষ্ঠীর মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা গড়ে তোলা, তাদের মনন বোঝা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা। তরুণ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে এক ব্যতিক্রমধর্মী কাজ হাতে নেন। দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে তিনিই প্রথম তরুণদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেন। তাদের কথা শুনে সেই অনুযায়ী দেশ গঠনের পথে পা বাড়ান। আবার তরুণরাও প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষ কোনো ব্যক্তির সঙ্গে এভাবে আলোচনার সুযোগ পান। সজীব ওয়াজেদ জয় তরুণদের বোঝাতে শুরু করেন যে রাজনীতি কোনো একক ব্যক্তি কিংবা দলের জন্য নয়, রাজনীতি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যই। অবরুদ্ধ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম সজীব ওয়াজেদ জয়ের। বাংলাদেশের সমবয়সী সে তরুণই আজ লাখো কোটি তরুণের স্বপ্নের ক্যারাভ্যান, তারুণ্যের জয়রথ। তারুণ্যের প্রিয় নেতৃত্ব সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাঙালি তরুণদের মতো আমারও স্বপ্ন ও প্রত্যাশা- তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাশীল সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আজ তার জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রত্যাশা করি তার সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিকনির্দেশনা আমাদের সামনের দিনের পথ দেখাবে ইনশাআল্লাহ্‌। শুভ জন্মদিন তারুণ্যের আইকন, আইসিটি পরামর্শক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সজীব ওয়াজেদ জয়।যার এগিয়ে যাওয়ার শেষ নেই, স্বপ্নের সীমানা নেই। বাঙালির স্বপ্ন যাত্রার কান্ডারীর আগামী হোক আরও দুর্বার।অদম্য বাংলাদেশ।

আশা প্রকাশ করে, বলেন, যোগ্য মায়ে’র যোগ্য সন্তান ও প্রযুক্তি বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়, দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্খে-সর্বদা সে তার প্রজ্ঞাময় নেতৃত্বের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে। তার স্বপ্ন বিকশিত হবে বাংলার ঘরে ঘরে।

What's Your Reaction?

like
0
dislike
0
love
0
funny
0
angry
0
sad
0
wow
0